Support the Fulbarianews Informative Portal of Bangladesh

শাবান মাসে রোজা রাখার নিয়ম: কত তারিখ পর্যন্ত রাখা যাবে?

Avatar

Published on:

শাবান মাসে রোজা রাখার নিয়ম: কত তারিখ পর্যন্ত রাখা যাবে?
শাবান মাসে রোজা রাখার নিয়ম: কত তারিখ পর্যন্ত রাখা যাবে?

শাবান মাস ইসলামী বর্ষপঞ্জির একটি গুরুত্বপূর্ণ মাস, যা রমজানের প্রস্তুতি ও আত্মিক পরিশুদ্ধির জন্য বিশেষভাবে উৎসর্গীকৃত। রাসূলুল্লাহ (সা.) শাবান মাসকে তাঁর নিজের মাস হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন এবং এ মাসে বেশি বেশি রোজা রাখার মাধ্যমে রমজানের প্রস্তুতি নেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন। হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, রাসূল (সা.) শাবান মাসে সবচেয়ে বেশি রোজা রাখতেন এবং এ মাসের ফজিলত সম্পর্কে উম্মতকে সচেতন করেছেন।

শাবান মাসের ফজিলত ও আমল

শাবান মাস রমজানের পূর্বপ্রস্তুতির মাস হিসেবে বিবেচিত। হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) বলেছেন, "শাবান আমার মাস এবং রমজান আল্লাহর মাস। শাবান পবিত্রকারী এবং রমজান গুনাহ মাফকারী।" (কানজুল উম্মার-৩৫২১৬)। এ মাসে রোজা রাখা, কুরআন তিলাওয়াত, দোয়া ও ইস্তেগফারের মাধ্যমে নিজেকে রমজানের জন্য প্রস্তুত করা উচিত।

শাবান মাসে রোজা রাখার নিয়ম

রাসূল (সা.) শাবান মাসে বিশেষভাবে রোজা রাখতেন। হজরত আয়েশা (রা.) বলেন, "আমি রাসূল (সা.)কে শাবান মাস ছাড়া আর কোনো মাসে এত অধিক রোজা রাখতে দেখিনি। তিনি শাবান মাসের অধিকাংশ দিনই রোজা রাখতেন।" (সুনানে নাসাই: হাদিস-২১৭৮)। তবে রমজানের এক-দুই দিন আগে রোজা রাখতে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। (সহিহ বুখারি, হাদিস ১৯১৪)। তাই শাবান মাসের ২৭ তারিখ পর্যন্ত রোজা রাখা যাবে, এরপর রমজানের প্রস্তুতি নেওয়া উচিত।

শাবান মাসের বিশেষ রাত: শবে বরাত

শাবান মাসের আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো শবে বরাত। এ রাতটি অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ এবং এতে ইবাদত-বন্দেগির মাধ্যমে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা উচিত। শাবান মাসের ১৫ তারিখ রাতটি বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত।

 

শাবান মাস রমজানের প্রস্তুতির মাস। এ মাসে রোজা, ইবাদত ও আত্মশুদ্ধির মাধ্যমে নিজেকে প্রস্তুত করা উচিত। রাসূল (সা.)-এর সুন্নত অনুযায়ী শাবান মাসের রোজা রাখা এবং শবে বরাতের ফজিলত লাভ করা প্রতিটি মুসলিমের কর্তব্য। শাবান মাসের শেষ দিন পর্যন্ত রোজা রাখা যাবে, তবে রমজানের এক-দুই দিন আগে রোজা রাখা থেকে বিরত থাকতে হবে।

Clap Button
0%
Smile Button
0%
Sad Button
0%
সঙ্গে থাকুন ➥